ইনসাইড স্পোর্টসের প্রতিবেদন,১১ এপ্রিল : দুই বছর পর দর্শকদের সামনে খেলতে যাওয়ার আগে সমস্যায় এটিকে মোহনবাগান শিবির। মঙ্গলবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে এএফসি কাপে মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান ও শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার ফুটবল ক্লাব। কিন্তু ম্যাচ খেলতে নামার আগে সমস্যা কোচ ফেরান্দোর। দলের গোলগেটার রয়কৃষ্ণকে পাওয়া যাচ্ছে না। আর রক্ষণের ভরসা সন্দেশ ঝিঙ্গান অনিশ্চিত। সোমবার সর্বশেষ পাওয়া খবর হল, সন্দেশের যা অবস্থা তাতে মঙ্গলবার বড় ধরনের অঘটন না ঘটলে তিনি খেলতে পারবেন না।
সোমবার যুবভারতীতে সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসে এটিকে মোহনবাগান কোচ ফেরান্দো বলে গেলেন,”আমাদের ছেলেরা খেলবে একটা দল হিসেবেই। আইএসএলের সেমিফাইনালে আমরা ভাল খেলিনি। তার প্রভাব এখন দলে নেই। অতীত ভুলে আমরা এখন সামনের দিকে তাকাতে চাই।”
প্রতিপক্ষ দল সম্পর্কে বলতে গিয়ে কোচ ফেরান্দো বলেন, “ভুলে গেলে চলবে না, ব্লু স্টার হল শ্রীলঙ্কার এক নম্বর দল। ভাল দল। আমরা সাবধানতা অবলম্বন করেই নামব। তবে এটাও ঠিক এবার সমর্থকদের উপস্থিতিতে দল খেলবে। এটা আমাদের পক্ষে ইতিবাচক দিক।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার যুবভারতীতে এএফসি কাপের এই ম্যাচে দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নিজেদের দেশ এই মুহূর্তে খুব খারাপ জায়গায় আছে। অর্থনীতি মন্দায় ভুগছে শ্রীলঙ্কা। সেই দেশের মানুষ আজ বিপন্ন। শ্রীলঙ্কায় দিনের অর্ধেক সময় লোডশেডিং, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চরম অভাব। পেট্রোল পাম্পে তেল নেই, রান্নার গ্যাস নেই। তুমুল মূল্যস্ফীতি। আন্তর্জাতিক বাজারে ঋণের পরিমাণ বিপুল।দেশের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার তলানিতে ঠেকেছে। দেশ যখন দেউলিয়ার সমান এই অবস্থায় প্রবল মানসিক চাপ নিয়েই এএফসি কাপে অংশ নিতে এসেছে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার।
যদিও শ্রীলঙ্কার কোচ বান্দা সামারা জানালেন, “আমি জানি আমাদের দেশ নানা অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে বিপর্যস্ত। কিন্তু আমরা এই সকল জিনিসে এখন ফোকাস করছি না । আমাদের দল মঙ্গলবারের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আমরা এই ম্যাচটা জিততে মরিয়া থাকবো। দেশের অবস্থার প্রভাব খেলায় পড়বে না। ছেলেরা নিজেদের সেরাটাই দেবে।”